Election Commission on SIR: সুপ্রিম-নির্দেশ মেনে তৈরি ‘আনম্যাপড’ তালিকা, ভাঙড়ের লিস্ট থেকে দায় ঝাড়ল কমিশন

কলকাতা: যুক্তিগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। গত ১৯ জানুয়ারি হওয়া ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে এমনই নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, প্রকাশ্যে ওই সংক্রান্ত তালিকা টাঙিয়ে দিতে হবে। এবার সেই নির্দেশ মেনেই তালিকা তৈরি করল কমিশন।

সূত্রের খবর, রাজ্যের আনম্যাপড ও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা তৈরি করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। পরিমার্জনের কাজে নিযুক্ত ইআরওদের কাছে সেই তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। অবশ্য আগামিকাল রবিবার হওয়ায় বেশ কিছু জেলায় এই তালিকা টাঙানো নাও হতে পারে। কিন্তু সোমবার থেকে এই নিয়ে আরও কোনও বিবাদের জায়গা রাখতে নারাজ কমিশন।

কমিশন সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, যুক্তিগত অসঙ্গতির কারণে ১.৩৬ কোটি ভোটারকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের শুনানির জন্য তলব করা হবে। তবে পরে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছিল ৯৮ লক্ষে। সেই তালিকা ধরেই ভোটারদের শুনানি নোটিস পাঠানো হয়েছিল। যা নিয়ে সরব হয় তৃণমূল-সহ একাধিক দল। শুনানির নামে হয়রানি হচ্ছে বলেই দাবি করে তাঁরা। পাশাপাশি যুক্তিগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশের দাবি জানায় রাজ্যের শাসক শিবির। যে জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। মেলে মান্যতা।

ভাঙড়ে লিস্ট বিতর্ক

শনিবার রাতে ইআরও-দের জন্য আনম্যাপড ও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা তৈরি করে দিন জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু ভাঙড়ে একদিন আগে থেকেই ঝুলছিল এই তালিকা। ঘটনা ভাঙড়ের ২ নং ব্লকের। সেখানে একটি প্রায় ৫৪ হাজার ভোটারের তালিকা প্রকাশ করল প্রশাসন। কিন্তু দিন পেরতেই সিইও দফতর বলল, প্রকাশিত তালিকা কমিশনের দেওয়া নয়। এই মর্মে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। তা হলে কীভাবে এই তালিকা পেল প্রশাসন? সেই নিয়েই এখন তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। উত্তর চায় কমিশনও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

🟢 Join WhatsApp