Mimi Chakraborty: মিমির মামলায় বিপদ আরও বাড়ল তনয় শাস্ত্রীর, বনগাঁ কোর্টে কী হল আজ

বনগাঁ: মিমিকে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই তনয় শাস্ত্রীকে আবার চারদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বনগাঁ আদালতের বিচারক। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর করা মামলায় যুক্ত করা হল শ্লীলতাহানির ধারা। মিমিকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দেওয়ার নির্দেশ বিচারকের। অভিযুক্ত তনয় বললেন, “আইনের প্রতি আমার ভরসা আছে।”

তনয় শাস্ত্রীকে চারদিনের জেল হেফাজতের পর আজ আবার বনগাঁ আদালতে তোলা হয়। এই বিষয়ে বনগাঁ কোর্টের সরকারি আইনজীবী সমীর দাস জানিয়েছেন, পুলিশকে হেনস্থা করা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়া অভিযোগে আদালতের কাছে পুলিশের তরফ থেকে আজ আবার তনয় শাস্ত্রী (দাস)-কে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। তনয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালানোরও আবেদন জানানো হয়।

সরকারি আইনজীবী ও তনয় শাস্ত্রীর আইনজীবীদের আবেদন শুনে ৭ দিনের পুলিশ হেফাজত ও তনয়ের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানের আবেদন খারিজ করে ৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

এদিকে, মিমি চক্রবর্তী মামলায় নতুন করে শ্লীলতাহানির ধারা (৭৪ বিএনএস) যুক্ত করে তনয় শাস্ত্রীকে শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। সেই আবেদন মঞ্জুর করে বিচারক আগামী ৬ তারিখ বনগাঁ আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এসে গোপন জবানবন্দি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মিমিকে।

ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁ পৌরসভার নয়া গোপালগঞ্জ যুবক সংঘের একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রাত পৌনে বারোটা নাগাদ তিনি মঞ্চে ওঠেন। অভিযোগ, মিমির গানের মাঝেই ক্লাবের অন্যতম কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রী হঠাৎ স্টেজে উঠে পড়েন। গান থামিয়ে মিমিকে মঞ্চ থেকে নেমে যাওয়ারও নির্দেশ দেন। জনসমক্ষে এমন আচরণের জেরে চূড়ান্ত অপমানিত বোধ করেন মিমি। ঘটনার পরপরই বনগাঁ থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। এরপর গ্রেফতার হন মিমি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

🟢 Join WhatsApp