Madan Mitra: ছাব্বিশের ভোটে কামারহাটিতে তৃণমূলের বাজি কে? আর দাঁড়াবেন তো মদন?

কলকাতা: ছাব্বিশের ভোটে কামারহাটিতে তৃণমূলের বাজি কে? কে হবেন প্রার্থী? জল্পনার মাঝেই কামারহাটির বিধায়কের এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যেই তুঙ্গে জল্পনা। প্রার্থী বাছাইয়ে প্রবীণ-নবীন নিয়ে তরজার মধ্যেই মদন যদিও বলছেন, “দল সবটা ঠিক করবে। মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন, সেখানেই তাঁরাই তো সবটা ঠিক করবেন। দল করলে দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটা আমি মেনে নিতে বাধ্য।”

যদিও জয়ের বিষয়ে রীতিমতো আত্মবিশ্বাসী মদন। সাফ কথা, “আমি দাঁড়াই বা যেই দাঁড়াক এখানে তৃণমূল এখানে ৫০ হাজার ভোটে জিতবে। কে দাঁড়াবে সেটা দল ঠিক করবে। তৃণমূল কংগ্রেস দিনের শেষে ৫০ হাজার ভোটে জিতবে।” তবে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি। 

বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলছেন, “মদন মিত্র কত ভোটে আগেরবার জিতেছিলেন ভেবে দেখুন। আসলে এরা রাজনীতিতে একেবারে প্রাসঙ্গিক নয়। অন্ধকার করে সানগ্লাস করে, চুলে স্পাইক করে ওনাকে দেখতে বেশ ভাল লাগছে। জামাই জামাই লাগছে। কিন্তু এর বাইরে কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই।” এদিকে ভোটের বাকি হাতেগোনা আর কয়েকদিন। তৃণমূলের প্রার্থী কারা হবেন তা নিয়েও চলছে জোরদার চর্চা। এরইমধ্যে দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে কয়েকদিন আগে আসানসোলের বারাবনিতে একেবারে দলীয় প্রার্থীর নাম দিয়ে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে যায়। বিধান উপাধ্যায়কে ফের প্রার্থী হিসাবে চেয়ে দেওয়াল লিখতে শুরু করে দেন দলের কর্মীরা। কিন্তু দল নাম ঠিক করার আগেই আগাম এই দেওয়াল লিখন নিয়ে শুরু হয়ে যায় বিতর্ক। মদন যদিও বলছেন, “আমি কোনও কোর কমিটিতে নেই। তাই প্রার্থী কোথায় কে হতে পারে সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না।”  

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কামারহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন মদন। তারপর রাজ্যের মন্ত্রী হন। ২০১৬ সালে হার ৪ হাজারের কিছু কম ভোটে। ২০২১ সালে ফের প্রত্যাবর্তন। একুশে সিপিএম এবং বিজেপির প্রার্থীর সঙ্গে মদনের প্রাপ্ত ভোটের ফারাক দাঁড়ায় ৪৪ হাজার এবং ৩৩ হাজারের। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

🟢 Join WhatsApp