শারীরিক নির্যাতন ও যৌন হেনস্তার অভিযোগে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শমীক অধিকারীকে পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল আদালত। শুক্রবার সরকারি তরফের আইনজীবী জানান, নির্যাতিতা তরুণীকে দিনের পর দিন বাড়িতে আটকে রেখে শুধুই যৌন হেনস্তাই নয়, ধর্ষণও করা হয়েছে। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে নির্যাতিতাকে।

এদিন আলিপুর আদালতে পেশ করা হয় শমীককে। শমীকের আইনজীবী দাবি করেন, শমীকের সঙ্গে ওই তরুণীর বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। যদি কোনওরকম শারীরিক সম্পর্ক হয়েও থাকে তাহলে তা দু’তরফের অনুমতিতেই হয়েছে। সরকারি তরফের আইনজীবী জানান, অভিযুক্ত ইনফ্লুয়েন্সার ওই তরুণীকে বাড়িতে আটকে রেখে দিনের পর দিন অত্যাচার করেছে ওই ইনফ্লুয়েন্সার। শুধু তাই নয় ওই তরুণীর সারা শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। রয়েছে চোখের তলায় কালশিটের দাগ। নির্যাতিতাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে জানান সরকারি আইনজীবী। আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতেও রাজি হয়েছেন ওই তরুণী। 

ওই তরুণীর সারা শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। রয়েছে চোখের তলায় কালশিটের দাগ। নির্যাতিতাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে জানান সরকারি আইনজীবী।

উল্লেখ্য, ৪ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার শারীরিক নির্যাতন ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বেহালা থানায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ওইদিন রাতেই সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুক্রবার আলিপুর আদালতে পেশ করা হয় শমীককে। যদিও আদালতে পেশ করার আগেই শমীকের বিরুদ্ধে ওঠে ধর্ষণের অভিযোগও। আর এদিন জামিনের আবেদন খারিজ করে তাঁকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত।   

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

🟢 Join WhatsApp